Sunday, January 25, 2009

চা - নাস্তা বিষয়ক গপসপ

একটা রুটি, এক কাপ চা। এই ছিলো আমার আমার নিয়মিত সকালের নাস্তা। রুটি আমার এত প্রিয় ছিলো যে বাবা-মা আমাকে বলতো বিহারী মেয়ে। আজ অনেক দিন পরে এই মেন্যুতে সকালের নাস্তা হলো। দেশে থাকতে ভীষন স্বাস্থ্য-সচেতন ছিলাম, হালকা খেতে হবে, মোটা হওয়া যাবে না। ভাত ভালো লাগতো না মোটেই, শুধু দুপুরে অল্প একটু ভাত সাথে প্রচুর শশার সালাদ, আর সকালে এবং রাতে একটা করে রুটি, সাথে সবজি, ডিম পোচ বা অন্য কিছু। অবশ্য খানিক গুলিয়ে ফেলছি বোধ করি, কারন এই রুটিন একেবারে ছোটবেলার এবং দেশে থাকার শেষ দু'বছরের, যখন বাবা ঢাকায় বদলি হয়ে এলেন। মাঝে ইউনিভার্সিটির হলে ছিলাম যখন, তখন তো খাবারের কোন ঠিক ছিলো, যখন যা পাই তাই খাই অবস্থা। সকালে নাস্তাই হতো না, ক্লাসের ফাঁকে দুম করে গিয়ে হয়তো একটা সিঙারা খেতাম, তাও সিঙারার ভেতরের সব আলু ফেলে বাহিরের খোলস। মাঝে মাঝে একটা মজা হতো, কেউ কেউ সিঙারার আলু বেশি পছন্দ করতো বাইরের ময়দার খোলসের চাইতে, তাদের সাথে আমার এই খোলস এবং আলু বিনিময়।
-ওই তুই আলু ফালাস ক্যান, আমারে দে।
-আচ্ছা, তাইলে তুই আমারে সিঙারার কোনার দিকের শক্ত অংশটা দে।
ভালো বিনিময় প্রথা।

রানীর কথা মনে পড়ে খুব, বিশেষ করে যখন চা খেতে ইচ্ছা হয়। ভীষন চা-কফির ভক্ত আমি। স্কুলে থাকতে দিনে কমপক্ষে পাঁচবার চা খেতাম, আম্মুই করে দিতো। আহারে মেয়ে রাতদিন লেখাপড়া করে, এই আদরে। ইউনিভার্সিটিতে চা খাওয়ার ব্যাপারটা আমার জন্য সবচেয়ে সহজ হয়ে গেলো। চাইলেই ক্যান্টিন থেকে চা পাওয়া যায়, খেতে জঘন্য এই যা সমস্যা! সেটা কোন বড় ব্যাপার নয় মোটেই, পোলাপানের সাথে আড্ডা মারতে মারতে যেকোন চা-ই অনায়াসে খেয়ে ফেলা যায়। বন্ধুদের মধ্যে যারা মেয়ে তারা অধিকাংশই আমার এরকম চা-প্রীতিতে আপত্তি জানাতো, চা খেলে নাকি স্কিন সুন্দর থাকে না, কালোও হয়ে যায়! আমি এমনিতেই ফর্সা নই, আরেকটু ডার্কার হতেও আমার মোটেও আপত্তি নেই। আর এই কারনে চা খাওয়া কমাবো? কাভি নেহি! সুতরাং অবিরাম সারাদিন চলতো। সন্ধ্যায় একটু স্পেশাল চা খেতে মন চাইতো, হলের ভেতরে আমার প্রাণের দোস্ত রুমা অসম্ভব ভালো চা বানানক। সে আবার মহা পড়ুয়া, তারে সিস্টেম করে রিডিং রুম থেকে বের করে কিছুক্ষন গল্প-গান-হাঁটাহাঁটি করে তার হাতের অসাধারণ চা খেতাম। আমার চা-কফির ন্যাক সম্পর্কে রুমার বক্তব্য ছিলো, আমাকে একটা কাপ হাতে এক পুকুর চা বা কফির মধে ডুবিয়ে রাখলে নাকি আমি সবচেয়ে খুশি হতাম, মাঝে মাঝে হাত বাড়িয়ে পুকুর থেকে চা-কফি খেতাম! আহা, তার চিন্তার ক্রিয়েটিভিটিতে আমি মুগ্ধ।

আর বাসায় ছিলো আমাদের সার্বক্ষনিক হেল্পিং হ্যান্ড রানী। এই মেয়ে আমার চেয়ে কমসে কম দশ বছরের ছোট, অথচ কি যে আদর করত আমাকে, আমিও কি ওকে কম আদর করতাম। যাই হোক, সে বড়ই মিষ্টি করে বলতো, "ছোট আপু চা খাবেন?" (তার কথার ভাষা অত্যন্ত শুদ্ধ)। আমার ঠোঁট বিস্তৃত হয়ে যেতো খুশিতে। রানী অবশ্য বিরাট ফাঁকিবাজ ছিলো, সে অনেক কাজই করতো, অধিকাংশই ফাঁকিবাজির সহিত। সুতরাং তাকে বিশেষভাবে বলে দিতে হতো, "একটু বেশি মজা করে বানাস", তাহলেই কেবল চা-টা মজা হতো, নইলে মাশাল্লাহ ক্যান্টিনের চায়ের সাথে খুব একটা পার্থক্য হতো না। আমার ওতে অভ্যাস ছিলো এই হলো সুবিধা। সুবিধা আরো আছে, যখন তখন চাইলেই এবং না চাইতেই এই যে চা চলে আসত এজন্য আমি রানীর কাছে কি যে কৃতজ্ঞ!

আহারে, এখন আর কেউ চা বানিয়ে দেয় না। দোস্ত রুমাও নাই, বাসার রানীও নাই। একটা দোস্তজামাই আছে, আমিই তারে চা বানাইয়া খাওয়াই। অবশ্য সেটাও এক রকম জোর করে। সে চা-কফির মোটেই ভক্ত নয়। অবাক হয়ে কেন জিজ্ঞাসা করলে সে বেশ গম্ভীর গলায় জবাব দেয়, "জীবন থেকে জটিলতা কমাই"! এই ডায়ালগ দিয়ে শ্বশুরবাড়িতে সে বেশ বিখ্যাত হয়ে গেছে, আমার বাবাকে এরপরে যেকোন কিছু নিয়ে অভিযোগ করলেই বাবা সহাস্যে উত্তর দিতো, "জীবন থেকে জটিলতা কমাই"। সুতরাং বাসায় চা খাবার কোন সংগী নেই, আমার একার জন্য বানিয়ে খেতে আরো নিরুৎসাহ লাগে। সম্ভবত এইটা বুঝেই সে আমার সাথে টুকটাক চা খেতে শুরু করলো। ইদানিং ভালোই ভক্ত হয়েছে চায়ের, সন্ধ্যাবেলা অন্তত এক কাপ হয়ে যায়। আহারে বেচারা, বিয়ে করে জীবনের জটিলতা বেড়ে গেলো!

ফুটনোটঃ দেশে ছেড়ে আসার পরে বেশি বেশি দেশী হয়ে গিয়েছি আমি। খাদকও হয়েছি। এখন রুটি খাওয়া হয় না। খালি ভাত খাই। এবং বিরিয়ানী রাঁধতে শিখে বিরাট ঝামেলা হয়েছে, ওইটাও খাওয়া হয় নিয়মিত বিরতিতে। আগে অনেক প্রিয় হওয়া সত্তেও আইসক্রিম-চকলেট খেতাম না, এখন গপাগপ চকলেট খাই। নতুন করে যোগ হয়েছে চিজময় পিৎজা খাওয়া। আর মাঝে মাঝেই বিরিয়ানী। মাঝের থেকে আমার এত সাধের চা খাওয়া কমে গেছে, নিজের বানিয়ে খেতে হবে সেই আলস্যতে। কেমন যেন সব 69 হয়ে গেছে। অবশ্য এইবার বেশ একটা মুডে আছি। খানিক পরিবর্তনের হাওয়া লেগেছে। বাড়ি বদলে গেলো, নতুন বাড়িটা পছন্দ হয়েছে খুব। নিজের নয় তো কি, যতদিন আছি নিজের ভাবতে সমস্যা কি? এবার থেকে আবার রুটি খাবো, চা খাবো। বিরিয়ানী খুব কম হবে। নো চকলেট (মাঝে মাঝে কেবল ফেরেরো রোশার)। আর মাঝে মাঝে একটু পিৎজা না খেলে মনের দুঃখে অসুস্থ হয়ে যাবো, ওইটাও চলবে। আর বাকি সব কন্ট্রোল। বয়স বেড়ে যাচ্ছে, নতুন করে স্বাস্থ্য-সচেতন না হয়ে উপায় কি?

Sunday, January 11, 2009

পুনর্বচন

মাত্র সচলায়তনে অরূপ'দার "প্ল্যানেট আর্থ" পোস্টটা পড়লাম। সংগে থাকা ক্লিপিং-গুলো দেখলাম। প্রকৃতির কি অপার বিস্ময়!

...অরূপ'দা বলেছেন আপনার বাবা-মায়ের সাথে বসে এই ডকুমেন্টারীটা দেখার কথা। আমারও ওমনি মনে হলো, আমার বাবা-মায়ের সাথে বসে আমি এটা দেখতে পারতাম। ওরা দুজনেই খুব প্রকৃতি পছন্দ করে। বিশেষ করে আমার মা। ফুল দেখলে পাগল হয়ে যেতো। আর সারাদিন ন্যাশনাল জিউগ্রাফি চ্যানেল খুলে বসে থাকতো। একটা সময় আমাদের বাসায় স্যাটেলাইট চ্যানেল ছিলো না, "একুশে টিভি"তে সপ্তাহে একবার নাকি প্রতিদিন সন্ধ্যায় এরকম কোন একটা অনুষ্ঠান থাকতো, তাই দেখতো মুগ্ধ হয়ে। স্যাটেলাইট চ্যানেল আসার পরে মামণি কোনদিন হিন্দী সিরিয়াল দেখে নি। বাংলা অনুষ্ঠান দেখতো, নাটক-সিনেমা। আমরা মাঝে মাঝে অনুবাদ করে দিয়ে কিছু হিন্দী সিনেমা দেখিয়েছি, অপছন্দ করতো না। কিন্তু তার যত বিশেষ আগ্রহ ছিলো এই ফুল-পাখি-হরিণ-চিতাবাঘ-গহীন অরণ্য-অতল সুমদ্রের বুকে নাম না জানা অসংখ্য প্রাণীর প্রতি। আহারে, কি খুশি হতো যেন এই "প্ল্যানেট আর্থ" দেখে। এখন প্রতিটা মুহুর্ত দেখবো আর মা'র কথা মনে হবে। কি বিস্ময় আর আনন্দ ফুটে উঠতো তার মুখে!

আরো কত কথা ডুকরে উঠে বুকের মধ্যে। সব বলা যায় না, সব লেখা যায় না... প্রতিটা মুহুর্তে যাই দেখি, যাই করি, ভাবি মামণি তো দেখলো না, জানলো না...কি লাভ?

পুনশ্চঃ এইটুকু লিখেই হঠাৎ মনে পড়লো, আজ ১১ই জানুয়ারী। বাবা-মায়ের ৩৭তম বিয়েবার্ষিকী। তিন বছর হয়ে গেলো, এই দিনে কেউ আমাদের বাসায় লাজুক মুখে পোলাউ রেঁধে মেয়েদের খেতে ডাকে না...মা নতুন শাড়ী আর বাবা নতুন শার্ট পড়ে, একটু বাইরে থেকে আসি বলে স্টুডিওতে গিয়ে একটা নতুন ছবি তুলে আসে না...। তবু এই দিনটাকে আমরা তিনটা বোন এখনও স্মরণ করি। এই দিনে এই দু'টো অসাধারণ মানুষ এক হয়েছিলো বলেই আমরা পৃথিবীর আলো দেখেছিলাম। মামণি এবং বাবা, জীবন আর মৃত্যুর বিশাল দূরত্ব মাঝে রেখে, দু'টো ভিন্ন অবস্থান থেকে তোমরা দু'জন ভালো থাকো।

Thursday, January 01, 2009

আজ শুধু নতুন

এরকম ধুরুম ধারুম করে যে কেমন একটা বছরই চলে গেলো টের পেলাম এই ৩১ ডিসেম্বরে এসে! ভাগ্যিস, এমন করেই কেটেছে। আজ নতুন বছর ২০০৯-এর প্রথম একটা দিন পার করে ভাবছি, কেমন কাটতে পারে এই বছরটা? নতুন বছরের রেজ্যুলেশন বলতে যদি এবার কিছু থেকে থাকে, তার শুরুতেই আছে...আর কি? দেশে যেতে চাই। শুধু চাই বলে দীর্ঘশ্বাস ফেলা নয়, এবার সম্ভাবনার শতকরাও বেড়ে গিয়েছে অনেকটা। তাই কেবল অপেক্ষা সেটা সত্যি হবার, আর প্রার্থনা।

আজ একটা মজার কথা মনে হলো, ছোটবেলার অনেক কুসংস্কারের মধ্যে এটা একটা। নতুন বছরের প্রথম দিনটা নাকি সারা বছরের একটা সারাংশ। সুতরাং এই দিনটায় সব ভালো ভালো কিছু করার চেষ্টা করতে হবে, নইলে বছরের বাকি দিনগুলোও যে তেমনই যাবে! সেই বিশ্বাসটা এখন আর নেই ছোটবেলার মত, কিন্তু একটু হলেও মনের মধ্যে উঁকি দেয়, খানিক হাসিমিশ্রিত হলেও। আজ অনেক চেষ্টা করেও মনে করতে পারলাম না গত বছরের ১ জানুয়ারী আমি কি কি করেছিলাম! তাই দুম করেই ঠিক করলাম, আজ কি কি করেছি তা লিখে রাখব যেন বছর শেষে মেলাতে পারি।

আজ দিনের শুরু যদি দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে ধরি তাহলে প্রথম যে কাজটা করেছিলাম তা হলো, অত রাতে হঠাৎ করে নুডুলস রাঁধতে শুরু করেছিলাম! দেশে ফোন করে কথা বলেছি বেশ খানিকক্ষন। তারপর খানিক মুভি দেখেছি। কোন এক ফাঁকে নেট থেকে বেশ কিছু নাটক আর অন্য অনুষ্ঠান ডাউনলোড করেছি। ইপ্রথমআলোর সাইটে ঢুঁ মেরেছি। এরপর ছোটআপুর সাথে চ্যাট করা শুরু করে শেষ করেছি রাত (নাকি ভোর?) সাড়ে ৪টায়। তক্ষুনি ফজরের আজান শুনে (কম্পিউটারে, সফটওয়্যার আর কি) নামাজ পড়ে নিলাম। এইটা একটা ভালো ব্যাপার, প্রথম দিনটায় প্রথম নামাজটা পড়েছি। তারপরে ৫টায় ঘুমুতে গেলাম। সারারাত জেগে যা হলো আর কি, ঘুম ভাঙলো অর্ধেক দিন পার করে, দুপুর ১:৪৭-এ। ফ্রেশ হয়ে যথারীতি সকালের নাস্তা তো করাই হলো না, এবং লাঞ্চও নয়। আমি বরং পরের বেলার জন্য সবজি রাঁধলাম। ঘুম ভেঙেই এসএমএস পেয়েছিলাম, আজ ভারী খাবার না খেয়ে রুটি-সবজি খাবার বাসনা পোষন করেছেন তিনি (এইটা একটা বেশ ভালো রকম রেভ্যুলেশন বলা যেতে পারে)। তো সবজি রাঁধা শেষ হতে হতেই মনে হতে লাগলো, বছরের প্রথম দিনে মা বাসায় কত কি রাঁধতেন। আমার কি সেই ট্র্যাডিশন রাখা উচিত নয়? মনে মনে রুটির প্ল্যান বাদ দিয়ে অন্য কিছুর নকশা করা হয়ে গেলো। সে ফেরার পরই বলতেই রাজি হয়ে গেলো ডায়েটিং প্ল্যান বাতিল করতে (হবে না আবার :-)? )

তারপরে একটু ঘুরতে বেরুনো হলো, টুকিটাকি বাজার। আবার ঘুরঘুর। যেটা মজা হলো, হুট করেই ড্রাইভিং শেখানোর একটা চেষ্টা করা হলো আমাকে। ড্রাইভিং-এ আমার খুব ইন্টারেস্ট আছে, আমি বহুবার স্বপ্নে দেখেছি যে গাড়ি চালাচ্ছি। নানান ধরনের এক্সাইটিং স্বপ্ন। কখনও স্বাভাবিকভাবে চালাই, কখনও বা কোন ভীষন ক্রাইসিস মুহুর্তে কাউকে উদ্ধার করতে হাতে নিই গাড়ির স্টিয়ারিং হুইল। নানান দুর্গম পথ পাড়ি দিই অনভিজ্ঞ হাতে দারুন দক্ষতায়। কিন্তু সেই আমাকেই যখন তারু হাতে-কলমে শেখাতে চায়, আমি নানা গাঁইগুই শুরু করি। ভয় লাগে, পারব না...ইত্যাদি ইত্যাদি। আজও তাই করতেই সে বেশ ভাব নিয়ে প্রায় অর্ডার করে বললো, আজ এসব বলিস না, এটা নতুন বছরের নতুন একটা চেষ্টা। কমান্ড পেয়ে আমি বেশ সুবোধ বালিকার মত চট করেই রাজি হয়ে গেলাম। এটা দ্বিতীয় দিন আমার সত্যি গাড়ি চালানোর। মন্দ করিনি, তারু বলেছে। আমারও বেশ লাগলো। কিন্তু একসাথে এত কিছু কেন করতে হয় এটাই রাগ লাগছিলো। রাইটে দেখো, লেফটে দেখো, সামনে-পেছনে, একই পা দিতে ব্রেক এবং এক্সেলেটর, সিগনাল দাও...কত কি রে বাবা! ওইটুকু আঁকাবাকা রাস্তায় বারবার চক্কর দিতে আমার বেশ লাগছিলো, কিন্তু বড় রাস্তায় কেমনে কি! যা বুঝলাম, রাস্তায় যদি আর কোন গাড়ি না থাকে তো আমি ব্রেক চেপে বেশ ভালোই চলতে পারবো!

এরপর গান শুনতে শুনতে এবং গাইতে গাইতে বাড়ি ফিরে দুমদাম করে ভুনা খিচূড়ী, আলু চপ আর গরুর মাংস রন্ধন। অতঃপর সবজি এবং শশা-টমেটো-গাজর-পেঁয়াজ-সরিষা তেলের সালাদের সাথে ভক্ষন। বেশ খানিকক্ষন আড্ডা। আর তারপর এই এখন লিখছি খানিক খেরোখাতায়।

উফফ। মনে হচ্ছে নিজের সাথে বকর বকর করেই যাচ্ছি অনেকক্ষন ধরে। তবু তো ধরে রাখা হলো আজকের দিনটা। রাতটা বাকি আছে এখনও। সেইটুকু থাকুক নিজের কাছেই।

কেউ যদি পড়ে থাকে এই সাধারণ দিনলিপি তাকে জানাই নতুন বছরের শুভেচ্ছা। ভালো কাটুক, ভালো থাকুক সবাই। ভালো থাকুক আমাদের সোনার দেশটা, নতুন সম্ভাবনাকে সংগী করে বাস্তব সাফল্যের পথে।